বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান অভিযোগ করেছেন, গত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ কেরানীগঞ্জে কোনো উন্নয়নমূলক কাজ করেনি, বরং শুধু প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করেছে। তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জের যে উন্নয়ন চোখে পড়ে—রাস্তা, ঘাট, ব্রিজ, কালভার্ট, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা কিংবা মন্দির—সবই বিএনপির সময়ে হয়েছে। আওয়ামী লীগ শুধু নাম বদলেছে, কাজের ছিটেফোঁটাও করেনি। আল্লাহ তাই স্বৈরাচারীদের পরিবর্তন করে দিয়েছেন।
oplus_2
আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টার প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে ইনশাআল্লাহ। আপনাদের ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের কাছে খালেদা জিয়ার সালাম পৌঁছে দিন, তারেক জিয়ার সালাম পৌঁছে দিন। মানুষকে ভালোবাসতে শিখুন, মানুষকে আমাদের পক্ষে আনুন।
নতুন ভোটারদের প্রতি দৃষ্টি রেখে আমান উল্লাহ আমান বলেন, যারা নতুন ভোটার, তারা আমাদের সম্পর্কে জানে না। তাদের কাছে আমাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে হবে। নতুন প্রজন্মের ভোট বিএনপির পক্ষে আনতে হবে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, যেমনভাবে আপনারা আমার পাশে ছিলেন, তেমনি ব্যারিস্টার অমির পাশেও থাকবেন। আগামী নির্বাচনে অমিকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে কেরানীগঞ্জের মানুষের সেবার সুযোগ দিন।
হিজলা আইডিয়াল স্কুলের সভাপতি হাজী তাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং শাক্তা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান নওশাদের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন—ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমি, কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামিম হাসান, সাধারণ সম্পাদক হাসমত উল্লাহ নবী, সহসভাপতি নাজিম উদ্দিন, ঢাকা জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. হোসেন আলী, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা যুবদলের সদস্য সচিব রাকিবুল ইসলাম রুবেল, কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা ছাত্রদলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা হাজী সাইফুল ইসলাম, শাক্তা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, কেরানীগঞ্জ উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আব্দুল মতিন, সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা জাসাসের আহ্বায়ক শাফায়াত হোসেন প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা কেরানীগঞ্জের উন্নয়নে বিএনপির অবদান তুলে ধরেন এবং আগামী নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে থাকার ঘোষণা দেন।